সামান্য বৃষ্টি হলে স্কুল মাঠে হাঁটুপানি

0
126
ads

ছবি ঃ সোমবার রাতের টানা বৃষ্টিতে সাটুরিয়া স্কুল মাঠে হাঁটুপানি।

সামান্য বৃষ্টি হলে স্কুল মাঠে হাঁটুপানি


সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার রাতের টানা বৃষ্টিতে সাটুরিয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটুপানি।সামান্য বৃষ্টি হলে মাঠে পানি জমে যায়।পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হলেও ড্রেনের মুখ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলে মাঠে হাঁটুপানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

আজ সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গতকাল রাতের বৃষ্টিতে হাঁটুপানি ও কাঁদা জমে আছে মাঠে।করোনা প্রতিরোধ কল্পে করোনা কালীন সময় এই মাঠে কাচামালের বাজার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসন।সামান্য বৃষ্টি হলে মাঠে হাঁটুপানি জমায় এখন আর কাচা বাজার বসছে না মাঠে ফলে ব্যাবসায়ীরা আগের জায়গায় ব্যাবসা পরিচালনা করছেন।

সাটুরিয়া বাজারের কাচামালের ব্যাবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন স্কুল মাঠে পানি জমে থাকায় আমরা বাধ্য হয়ে আগের জায়গায়ই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই মালামাল বিক্রি করছি।

সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন পিন্টু বলেন ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হলেও পাশ্ববর্তী আমতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেন ড্রেনের মুখে মাটি ফেলে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে রেখেছেন। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে সাটুরিয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠসহ সাটুরিয়া বাজার, ডাকবাংলোর সামনের রাস্তায় হাঁটুপানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ হচ্ছে।আর করোনা প্রতিরোধ কল্পে করোনা কালীন সময় এই স্কুলের মাঠে কাচামালের বাজার বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলে মাঠে হাঁটুপানি জমায় এখন আর কাচামালের বাজার বসছে না মাঠে ফলে ব্যাবসায়ীরা আগের জায়গায় ব্যাবসা পরিচালনা করছেন।এতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে তিনি আশংকা করছেন।

সাটুরিয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হলেও ড্রেনের মুখ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলে মাঠে হাঁটুপানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।আর ড্রেনের মুখটি ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের অবস্থান হওয়ায় ও-ই এলাকার লোকজন বিভিন্ন আবর্জনা ফেলে ড্রেনের মুখ বন্ধ করে ফেলেছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আমতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেন ড্রেনের মুখ বন্ধ করার কথা অস্বীকার করেন।আপনার এলাকার লোকজন বিভিন্ন আবর্জনা ফেলে ড্রেনের মুখ বন্ধ করে ফেলেছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমার জানা নেই।

ads

Leave a Reply