নিজস্ব প্রতিবেদক
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, বিএনপির কোন নেতাকর্মী গ্রাম্য বিচার শালিস করতে পারবেন না।কোন নেতাকর্মীর কারণে দলের বদনাম হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে দলের কোন নেতাকর্মী অহেতুক ওসি ও ইউএনওসহ অন্যন্য কর্মকর্তাদের চেয়ারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকবেন না। আপনারা অফিসে বসে থাকলে সরকারি কাজ ব্যহত হবে।

রোববার বিকেলে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জেসমিন আক্তারের সঞ্চালনায় ইউএনও মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন বর্তমান সরকারের নীতি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা জনগণের চাকর।যে কোন সরকারি দপ্তর প্রধানের কাছ থেকে যেন সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় এমন কোন কাজ করবেন না। সব সরকারি দপ্তর যেন ঘুষ মুক্ত হয়।
তিনি আরও বলেন দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নের্তৃত্বে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছেন। সাধারণ মানুষ বিএনপিকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন। জনগনের সেই প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই তিনি ১৮০ দিনের কর্মসূচী দিয়েছেন মন্ত্রী এমপিদের। যেমন কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড ও মসজিদ মন্দিরের ইমাম,মোয়াজ্জেম ও খাদেম এবং সনাতন ধর্মের মন্দিরের পুরোহিত,পূজারীদের চলতি মাসেই টাকা পাবে। এটি একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব মসজিদে টাকা পাবে।
পর্যটন মন্ত্রী আরো বলেন, সাটুরিয়ার মানুষ আমাকে ৬০টি ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়ে প্রথম করেছেন। কোন কেন্দ্রে আমাকে দ্বিতীয় করেনি। আমি সাটুরিয়াবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি সাটুরিয়ার উন্নয়নের একটি রোর্ডম্যাপ তৈরী করার জন্য প্রশাসন ও দলীয় নেতাকমীদের নির্দেশ দেন। আগে কি উন্নয়ন হয়েছে তা আমার জানা দরকার নেই। আমি সাটুরিয়ার জন্য কি করতে পারলাম সেই বড় কথা। তৃণমূল ও ওয়ার্ড থেকে উন্নয়নের চিত্র তোলে আনতে তিনি প্রশাসনকে বলেন। সেই রোর্ডম্যাপ ধরেই সাটুরিয়ার উন্নয়ন করা হবে এবং মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নও করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানুষের উন্নয়নের জন্য কি চাইছেন, সেদিকে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের নজর দিতে হবে।

এই সময় বক্তব্য রাখেন, ওসি মো, নজরূল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসুম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মামুন উর রশিদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো, খলিলুর রহমান মোল্লাহ, বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিশ মাখন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম ধলা প্রমুখ।
পরে তিনি ডিভাইন ট্রি ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন ও বৃক্ষ রোপন করে জিয়া পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে যোগ দেন।